আজকে যে হট নাচের ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে ইউটিউবে (ভিডিও-সহ)

এমেরিকার ওহিও তে মে ৭, ১৯৬৮ জন্ম। ১৫ বছর বয়স থেকে পার্টিচিয়া কুজমা নাম ব্যবহার করে এডাল্ট মডেলিং শুরু করে। পর্ণ ছবিতে অভিষেক ঘটে মাত্র ১৬ বছর বয়সে এবং এই কাজে তাকে সাহায্য করত তার মায়ের এক্স-বয় ফ্রেন্ড। উনার যখন ১৮ বছর বয়স হলো দেখা গেল ছবির সংখ্যা ১০০ এর কোঠায় এবং বেশির ভাগই বানানো হয়েছিল যখন সে শিশু ছিল। আরো মাথা গরম করা তথ্য হচ্ছে, ১০ বছর বয়সেই উনার সার্ভার হ্যাকড হয়, ১২ বছর বয়সেই ক্যালিফোর্নিয়া তে উনার দুই নম্বর বাবা এনারে দিয়া জৈবিক চাহিদা মেটাত। ১৯৮৬ সালে একটা বিষয় লক্ষ করা গেল প্রত্যেক টা দোকানের সেলফে টইটুম্বুর শুধু ট্রেসি লর্ড এর ছবির কালেকশন, এর ফলে চাইল্ড পর্নগ্রাফী করার জন্য তার উপর দোষ চাপল তখনকার কর্তৃপক্ষ এবং তাকে গ্রেফতার করা হল। সব মিডিয়াতে তারে নিয়ে হট্টগোল পড়ে গেল কারন তার প্রকৃত পরিচয় সবাই ততদিনে ফেলেছে। গ্রেফতারের পর সে তার সকল ছবি স্বত্ত বিক্রি করে দেয়। সে অনেক গুলো ছবিতে অভিনয় করেছিল এবং অগনিত টিভি সিরিয়ালেও অভিনয় করেছিল। ২০০৮ সালে বের হওয়া তার অভিনীত জ্যক এন্ড মেরী মেক এ পর্ন টরেন্ট দিয়া নামাতে পারেন। ২০০৩ সালে তার বায়োগ্রাফী নিয়ে লিখা নিউইয়র্ক টাইম একটা সংখা সর্বাধিক বিক্রিত তালিকায় আছে। বর্তমানে উনি কম বাজেটের ছবি বানায়, আর কত ?

জন্ম জানুয়ারী ১০, ১৯৪৯ নিউইয়র্ক এ। ইনি এমন একজন পর্ন অভিনেত্রী উনার জনপ্রিয়তা নাকি কখন কমে নাই। নাম লিন্ডা লাভেন্স এছাড়াও তার আরো কয়েকটা ছদ্ম নাম আছে। উনি ডিপ থ্রোট (ওরাল) জন্য বিখ্যাত ছিলেন। লিন্ডা কিন্তু খুব ভালো পরিবার থেকে এসেছে, ওর ফ্যামেলি ব্যকগ্রাউন্ড খুব ভালো ছিল। ১৯৬৯ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে উনি একটা সন্তান জন্ম দেন কিন্তু উনার মাবাবা এটা মানতে পারেন নাই তাই জন্মের পরপর এই সন্তান কে তারা পাঠিয়ে দিল অনত্র । দুঃখের ব্যপার হলো এই সন্তান কে আর তিনি দেখেন নাই। তার প্রথম স্বামী চাঙ্ক ট্রেইনর তাকে বাধ্য করত কু-কাম করার জন্য। তার উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হত, তার দিকে রাইফেল তাক করে রাখত এছাড়াও তাকে নানান ভাবে নির্যাতন করত , আর এই জন্য সে ডিপ থ্রোট সিস্টেমের জন্য বিখ্যাত হয়। ট্রেইনর তাকে কুকুরের সাথেও কু-কাম করতে বাধ্য করত। ১৯৭২ সালে তৎকালীন এই পন্যের ভোক্তাদের কাছে ডিপ থ্রোটিং খুব জনপ্রিয়তা অর্জন করে । ট্রেইনর উনারে দিয়ে কত রকম উপযোগ পেতে তা এখানে বর্ণনা করা আমার পক্ষে সম্ভব না। ১৯৭৬ সালে উনি বড় বাজেটের পর্ণ ছবির জন্য মনোনীত হয় কিন্তু সেই সময় ড্রাগ নেওয়ার কারনে তাকে বাদ দেওয়া হয় । এরপর সে ২ টা খুবই জনপ্রিয় আর-রেডেট ছবি করে । একপর্যায় সে এই পেশা ছেড়ে দেয়। ১৯৮০ সালে সে এই-কুকামের বিরুদ্ধে তার সংগ্রামী জীবন শুরু করে। কিন্তু ২০০২ সালে এমন একটা ঘটনা ঘটল যা কোন ভাবেই শুধরানো যোগ্য না। মাত্র ৫৩ বছর বয়সে তার দ্বিতীয় স্বামী এবং তার দুই সন্তান রেখে ইন্তেকাল পরটা খাইছে। ২০০৫ সালে তার জীবনের উপর নির্মিত একটা ডকুমেন্টারী বানানো হয় নাম ‘ইনসাইড ডিপ থ্রোট’।
জন্ম ১৯৫৩ মার্চ ১২ তে নিউইয়র্কের কুইনচে , ইসরাইলের নাম করা বংশ জিয়ুচ। সে প্রথমে স্কুলের শিক্ষক ছিলেন কিন্তু তার মন বসনে পোলাপাইনরে পড়াইতে। তার ইচ্ছা ছিল অভিনয় করা তার চাচা নাকি মাফিয়া ডন ছিল। কু-কাম করার সময় তার ছদ্ম নাম হেডগিহং। সব চেয়ে আমি তাজ্জব হলাম এটা যেনে ইনি ২,০০০ এর মত পর্ন ছবিতে মূল চরিত্র অভিনয় করেছে এর জন্য গিনেস বুক অফ দ্যা ওয়ার্ড রেকর্ড এ তার নাম রয়েছে।এবং সে কয়েকবার এভিএন (এডাল্ড ভিডিও নিউজ) এর রেংকিং এ এক নাম্বারে ছিল।পর্ণ ছবি ছাড়াও উনি ৩ টা সামাজিক একশ্যন ধর্মী ছবি ও করেছেন। উনার স্ক্রু-ড্রাইভাবের সাইজ নাকি ৯.৭৫ ইঞ্ছি। তখনকার সময়ে উত্তেওজনাকর ওষুধ ভায়েগ্রা ব্যবহারে সে সমালোচিত হয়। ২০০৯ সালে সে ডাউনটাউওনে তার নাইটক্লাব এর যাত্রা শুরু হয়, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই লুইচ্ছা ঐ কামেই ব্যস্ত আছে।

এই মহান লুইচ্ছার জন্ম ৮ অগাষ্ট ১৯৪৪, অহিওতে। এই লোকের একটা বৈচিত্রময় ব্যাপার হল উনার সাইজ নাকি অন্যদের চেয়ে আলাদা তার বল্টু নিয়া অনেক গবেষনাও নাকি হইছিল। দেখতে শুকনা হইলোও কিন্তু আগুনের গোলা ছিল। এই পর্যন্ত ২৫০০ ছবি তে তার গোলা বর্ষন করেছিল এর বাহিরেও হয়ত আছে তা হিসেবে আনলাম না। ৭০-৮০ দশকে তিনিই নাকি একাই অনেক মাঠ কাপিয়েছিলেন এর সংখ্যা প্রায় ৩০০০। এনার বয়স যখন ৮ তখন এনার মা আরেকটা বিয়া করে। ১৬ বছর বয়সে উনি গৃহ ত্যাগ করেন। জীবনের প্রথমে নানান চড়াই উৎরাই পার করে এই ব্যাক্তি। আর্মি তে কাজ করত একসময় ওটা ছেড়ে দিয়ে ফেরিওয়ালা হয়ে গেল।১৯৯৫ সালে একটা নার্সের সাথে পরিচয় এর পর পরিনয়। একদা এক সময় উনি তাঁস খেলতে যায় ক্যালিফোরনির একটা ক্লাবে এরপর এক ফটোগ্রাফার কেমনে কেমনে তার আসাধরন বল্টু দেখে ফেলে এরপর উনি সিস্টেমে সিস্টেমে পর্ন স্টার হয়ে যায়। গোয়েন্দা গিরির একটা ছবিতে অভিনয় করে তার জনপ্রিয়তা আসমান সমান। তখন পটাপট অনেক গুলা ছবির কাজ সে হাতে পায়, মেলা টাকা ইনকাম করে কারন তার বল্টু দেখে অনেকেই ফিট হয়ে যায়। ৮০ দশকের প্রথমে সে মাদক ব্যবস্যা জড়িয়ে পড়ে। টাকা ও মাধক এর জন্য সে বেপরোয়া হয়ে উঠে। সে টাকা আয়করার জন্য তার মেয়ে বন্ধুকে জোর করে কু-কাম করাতো। মাদক ব্যবসায় কায়েক জনের সাথে বনিবনা হত না বিধায় ওয়ান্ডারল্যান্ড এভিনিউ তে কয়েকজন কে খুন ও করে খুবই আলোচনায় চলে আসে। ১৯৮৬ সালে তাকে জেল খানার শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়া হয় কারন সে এইচআইভি পজেটিভ। এর পর থেকে সে আর মাদক নিত না । ১৯৮৮ সালে পটল তুলে । তার জীবনের উপর ভিত্তি করে দুইটা ছবি বানানো হয় এর মধ্যে একটা ডকুমেন্টারি।

১৯৭৪, এপ্রিল ৯ লাসভোগাসে এই বিশ্ববরেন্য তারকার জন্ম। নিজেকে উজার করে দিতে কখনও উনি কার্পন্যবোধ করেন নাই। উনাকে মনে করা হয় বিশ্বখ্যাত পর্ণ স্টার সংক্ষেপে উনি এই লাইনের ইন্ডিয়ান আইডল, উনাকে ‘দ্যা কুইন অফ পর্ন স্টার’ বলা হয়।তার আসল নাম জেনা মেরিন মাসোলি।এনার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিল একজন নৃত্য শিল্পী। জেনার বয়স দুইমাস থাকতেই তার মা মারা যায়। তারপর দাদীর কাছে বড় হয়েছে। ১৯৯০ এর অক্টেবরে মাত্র ১৬ বছর বয়সে সে তার বায়োগ্রাফী লিখে। এতে বর্ণনা করে তার স্কুল জীবনের নানান চমকপ্রদ খবর।তার প্রথম প্রথম ইচ্ছা ছিল তার মায়ের পেশা বেচে নেবে কিন্তু পারে নাই কারন সে তার মায়ের তুলনায় বেটে। তার এক বয় ফ্রেন্ডের বুদ্ধিতে সে অন্য একটা ডান্স ক্লাবে ছদ্ম নামে নাচা কুদা শুরু করে এই ভাবে ৬ মাস করার পর দেখা গেল প্রতি রাতে সে ২০০০ ডলার করে ইনকাম করে। স্টেজে তার নাম ছিল জেনাচিজ। পরে এই নামেই আরেকটা কোম্পানী খুলে এই নামেই সবার সাথে চলাফেরা করত। ১৯৯১ সালে লস এঞ্জেলের থেকে তার নুড ছবি তোলা শুরু হয়। ২০০৪ অগাষ্ট ১৪, অন্য একজন সহযোগী লেখকের সাহায্যে তার বায়োগ্রাফী প্রাকাশিত হয়। ৬ সাপ্তাহ ধরে নিউ উইয়র্ক টাইমের বেষ্ট সেলার সংখা ছিল এটি। স্কুলে লাইফেই উনার সার্ভার হ্যকড হয়ে হয়ে যায়। যাই হোক ওটা কোন উনার জন্য ব্যপারই না, তার ক্যারিয়ার শুরু হয় নুড মডেলিং , নুড নাচাখুদা দিয়ে দিয়ে। তার প্রথম টেলিকাস্ট শুরু করে ১৯৯৩ সালে। ১৯৯৪ সালে উনার বক্ষ ইমপ্লিম্যন্ট করে যাতে আরো আর্কষনীয় লাগে। পর্ণ ইন্ড্রাস্ট্রি তে এহেন কোন কাজ নাই যা উনি করে নাই একাধারে লিসবিয়ান, ওরাল…ব্ল্যা ব্ল্যা…বলে শেষ করা যাবে না।১৯৯৬ সালে টপ নিউ কামার এওয়ার্ড পায় এছাড়াও এই পর্যন্ত উনি ২০ টি মত এওয়ার্ড পায় লুইচ্চামির জন্য। তিনি ২০০০ সালে একটা এডাল্ট ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন বুঝেন তো ঐ খানে কি কাম হয়? আরো কয়েক লুইচ্ছা ব্যক্তির সহযোগিতায় ২০০১ সালে এই ক্লাবের ব্যানারে একটা ছবি বের করে শুধু তাই নয় ২০০৩ ছবিটি একটা পুরুষ্কার ও পায়। এই ভাবেই তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলতে থাকল। বর্তমানে উনিও হালকা পাতলা পরিবেশ বাদী আন্দোলনের সাথে জড়িত আছেন । উনি লিবারেল পাটির সিনেটর হিলারির ক্লিন্টনের ভক্ত। রাজনীতি, জনসেবা করে বাকী জীবন কাটাতে চান উনি।

শেষ কথাঃ নিতান্ত্য শখের বা কৌতুহল বসেই এই লেখাটা লিখলাম। এই দশ জনের বাহিরে আরো অনেকেই আছে যাদের নিয়ে আলোচনা করা নি। যাদের নিয়ে আলোচনা করেছি আপনি ইচ্ছে করলে তাদের সম্পর্কে আরো অনেক কিছুই জানতে পারবেন। এদের অনেকেরই ব্যাক্তিগত সাইট আছে সে খানেও অনেক চমকপ্রদ তথ্য পাবেন তবে ভাইরাস থেকে একটু সাবধান থাকবেন। লিখতে লিখতে মনে হলে দুনিয়াতে কত কিছুই অজানা। এক একটা পর্ণ স্টার এর জীবনের গল্প শুনে আমি শিহরিত হই আর ভাবি এরাও কি আশরাফুল মাখলুকাত ? অনেকেই বেঁচে থাকার তাগিদে এই পেশা বেচে নিয়েছে আবার কেউ বা স্বপ্রণোদিত হয়ে, একটা সময়ে এরা সবাই বুঝতে পারে তারা ভুল পথ দিয়ে জীবনের পথ পাড়ি দিয়েছে কিন্তু ফিরে যেতে পারে না কারন বেলা তো পড়ে গেল।

মতামত

comments

Post Author: admin