গোনাহের অভিশাপ থেকে পবিত্র হওয়ার মাধ্যম

মানবীয় দুর্বলতার কারণে মানুষ শিকার হয় শয়তানের কুমন্ত্রণার। আর তখন বিভিন্ন গোনাহের কাজে জড়িয়ে পড়ে। নবীগণকে আল্লাহতায়ালা সব ধরনের পাপাচার থেকে মুক্ত রেখেছিলেনন। তারা নিষ্পাপ। কিন্তু তাদেরকে ছাড়া অন্য সবার জীবনেই তো কমবেশি গোনাহ হয়ে থাকে। সে গোনাহ থেকে মুক্তির পথই হচ্ছে তওবা ও ইস্তেগফার- অর্থাৎ কৃত গোনাহের জন্যে আল্লাহর কাছে অনুতাপ ও অনুশোচনার সঙ্গে ক্ষমা প্রার্থনা করা; ভুল পথ ছেড়ে মহান প্রতিপালকের দিকে ফিরে আসা।

ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়, মানুষ কোনো পাপে লিপ্ত হওয়ার পর যদি সে তার ভুল বুঝতে পারে এবং এ জন্যে সে কায়মনোবাক্যে তার মহান প্রভুর কাছে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করে, তাহলে সে গোনাহ যত বড়ই হোক না কেন, তা ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

তবে শর্ত হচ্ছে, তাকে তওবা করতে হবে খাঁটি মনে। অতীতের গোনাহের জন্যে অনুতপ্ত হয়ে ভবিষ্যতে সে অন্যায় আর কখনও না করার জন্যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। এমন তওবাই আল্লাহর নিকট গৃহীত হয়। যারা এমনভাবে তওবা করে, আল্লাহর ক্ষমার বর্ষণে তারাই সিক্ত হয়।

শুধু মুখে মুখে তওবা করা কিংবা অন্যদের দেখাদেখি তওবার জন্যে কিছু বাক্য মুখে আওড়ানো তওবার জন্যে যথেষ্ট নয়। তওবা করতে হবে অবশ্যই মন থেকে এবং আর কখনও ওই গোনাহটি না করার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মন নিয়ে। হ্যাঁ, প্রথমবার যেমন শয়তানের প্ররোচনায় গোনাহ হয়ে গেল, তেমন তো পরে আবারও হতে পারে। তা হোক, যখনই গোনাহে জড়াবে, তখনই যদি আবার সে গোনাহের জন্যে অনুতপ্ত হয় এবং আবারও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়- এ কাজ আর কখনও করবে না, তাহলে প্রতিবারই আল্লাহতায়ালা ক্ষমা করবেন।

আমরা তার গোলাম, তার বান্দা, তিনি আমাদের প্রভু, আমাদের প্রতিপালক। দুনিয়াতে কোনো কর্মচারী বা ভৃত্য যদি তার মনিবের কোনো আদেশ অমান্য করে এসে আকুতি ভরে ক্ষমা চায়, তাহলে মনিব

 

মতামত

comments

Post Author: admin