কপালে নাক বসিয়ে এর প্লাস্টিক সার্জারি করছেন বিজ্ঞানীরা।

চিকিতসা বিজ্ঞানীরা মানুষের শরীরের অঙ্গ পুনর্গঠনের এক প্রচলিত পন্থায় একজন রোগীর কপালে নাক বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।

 

একটি দুর্ঘটনা ও অস্ত্রোপচার বা অপারেশনের পর জীবাণু সংক্রমণের কারণে ওই রোগীর নাকের তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় বিজ্ঞানীরা তার আসল নাকটি পুনর্গঠন করতে সক্ষম না হওয়ায় একদল চিকিতসক তার কপালে একটি নতুন নাক বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।

 

বিজ্ঞানীরা এরই মধ্যে ওই রোগীর  কপালে একটি নাক তৈরি করেছেন। তারা ওই রোগীর কপালের চামড়ার মধ্যে ইলাস্টিসিটি বা টেনে বড় করার ক্ষমতা সৃষ্টির জন্য টিস্যু-বর্ধক ব্যবহার করেছেন এবং  বিশেষভাবে কাটা মাধ্যমে টিস্যু বসিয়ে মানুষের নাকের আকৃতির অবিকল এই নাকটি তৈরি করেছেন।

 

নাকটির জন্য জরুরি তরুণাস্থি নেয়া হয়েছে রোগীর হাড়ের জয়েন্ট বা জোড়া থেকে যাতে নাকটির কাঠামো ঠিক থাকে। নাকটি এর চামড়া বা ত্বক, রক্ত-নালি বা রগসহ পুরোপুরি কার্যক্ষম হলে সেটাকে আবারও ক্ষতিগ্রস্ত নাকের অংশে বসিয়ে দেয়া হবে।

 

নিউইয়র্কের ল্যাংকোসহিল হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারির বিশেষজ্ঞ ডক্টর ডেভিড কনগ্লু বলেছেন, যদিও রোগীর কপালে নাক বসানোর কারণে বাহ্যিক দৃষ্টিতে খুব অদ্ভুত দেখাচ্ছে কিন্তু এই পদ্ধতিটি প্লাস্টিক সার্জারির একটি প্রচলিত পন্থা, যদিও নাকটি বসানোর প্রক্রিয়া কিছুটা ভিন্ন।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন শরীরের বিভিন্ন অংশে নাক গজিয়ে বা গড়ে তোলা সম্ভব হলেও কপালের চামড়ার টিস্যুগুলোর সঙ্গে নাক পুনর্গঠনের টিস্যুর মিল বেশি। #

 

মতামত

comments

Post Author: admin