ফেসবুক ‍নির্মাতা মার্ক জুকাবার্গের সফলতার কথা।জানেন কী আপনি?

পৃথীবিতে প্রতিদিন কত মানুষেই না জন্ম গ্রহন করে কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু মানুষের জন্ম হয় যারা আসে পৃথিবীটাকে বদলে দিতে। মার্ক জুকারবার্গ তিনি এমনই একটি নাম। যার সাফল্যের দৌড়ে এতদূর গিয়েছেন যা সাধারন মানুষরা হয়ত কল্পনা করতে পারেনা। আজকাল যুগের তরুনেরা ফেসবুকের এই প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের মত হতে চায় ১৯৮৪ সালের ১৪ ই মে মার্ক জুকারবার্গের জন্ম হয়। ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি প্রবল আগ্রহের ফলে খুব অল্প বয়সে তিনি প্রোগ্রাম লিখা শুরু করেন। মার্কের বাবা তাকে কম্পিউটারের ব্যাপারে খুব সাহায্য করতেন এবং উৎসাহ দিতেন। কিন্তু মার্কের বুদ্ধিমওা এত প্রবল ছিল যে মার্কের বাবা তার অনেক প্রশ্নের উওর দিতে পারতেন না। এইজন্য তিনি ছেলের জন্য কম্পিউটারের শিক্ষক নিয়োগ করেন। মার্ক এত বুদ্ধিমান ছিলেন যে কম্পিউটারের কিছু কিছু বিষয় তার শিক্ষক কে হার মানিয়ে দিতেন। মাএ ১২ বছর বয়সে তিনি একটি মেছেঞ্জার তৈরি করে ফেলেন যার নাম তিনি দিয়েছেন জিকনেট মেছেঞ্জার। এটি দিয়ে তার বাসা থেকে তার বাবার ক্লিনিকে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহার করতেন। যে সময় শিশুরা কম্পিউটারের গেম খেলতে শিখে সেই সময় তিনি গেম তৈরি করতেন। পরবর্তীতে তিনি হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন শুরু করেন এবং সেখানে তিনি ছাএ হিসেবে চৌকস ছিলেন। তাই তাকে সবাই প্রোগ্রামিং এর এক্সপার্ট বলে ডাকত। করেজে পড়ার সময় ফেসবুকস নামের এক ধরনের বই ছিল যাতে কলেজের সকল ছাএ/ছাএীর ছবি সহ অন্যান্য বিবরন উল্লেখ থাকত। এই কথা মাথায় রেখে তিনি ফেসমেস নামক ওয়েব সার্ভিস তৈরি করেন যাতে কলেজের একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের ছবি পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যেত কে বেশি আকর্ষনীয়। সবচেয়ে মজার কথা হল এই ওয়েব সাইটের মেয়েদের ছবি সংগ্রহ করতে তিনি হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটি হ্যাক করে ছিলেন। ওয়েব সাইটটি সেই সময় খুবই শক্তিশালী ছিল মার্কের এই ওয়েব সাইট খুব জনপ্রিয় হলেই বেশ কিছু মেয়েরা আপওি জানায় এবং এজন্য তাকে অনেক বঞ্জনা শুনতে হয়। ২০০৪ সালে তিনি আরো একটি ওয়েব সাইট বানান যার নাম দেন দ্যা ফেসবুক সেটি তখন হাবার্ডে জনপ্রিয় ছিল কিন্তু ধীরে ধীরে ওয়েব সাইটিতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। তখন মার্ক জুকারবার্গ চিন্তা করেন যে এই ওয়েব সাইটটি শুধু শিক্ষার্থীরা না পৃথিবীর সবাই ব্যবহার করতে পারে। এজন্য তিনি পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে তার টিম নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০০৫ সালে দ্যা ফেসবুকের পরির্বতে তার নাম দেওয়া হয় শুধূ মাএ ফেসবুক। ২০০৭ এর মধ্যে ফেসবুকে লাখলাখ বিজনেস পেজ এবং প্রোফাইল যুক্ত হয়ে য়ায় এই ভাবে ধীরে ধীরে ফেসবুক রাজ করতে শুরু করে এবং ২০১১ সালের মধ্যে ফেসবুক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ওয়েব সাইট হিসাবে পরিচিতি লাভ করে এবং কঠোর প্ররিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের কারনে মার্ক হয়ে যান ইন্টারনেট দুনিয়ার বাদশা। মার্ক যখন ফেসবুক সাইটটি বানিয়ে ছিলেন তখন তার বয়স  ছিল মাএ ১৯ বছর। তার বানানো ওয়েব সাইটটি আজ বিশ্বের সকল মানুষকে একত্রে জুড়ে দিয়েছে। আজ মার্ক জুকারবার্গ বিশ্বের সবত্র মিলিয়নের মধ্যে একজন। অবশেষে এটি বলতে চাই যার মধ্যে তীব্র ইচ্ছা এবং আত্মবিশ্বাস রয়েছে সে কেবল সাফল্যের শিখরে পৌছাঁতে পারে।

মতামত

comments

Post Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *